দেবীপক্ষ
- Hashtag Kalakar
- Sep 30, 2022
- 7 min read
By Ankita Sen
রেডিওটা চালিয়ে দিয়ে দুয়োরে গোবর জল দিয়ে নিকানোর জন্য দরজাটা খুলল কমলা। দরজাটা খুলেই পূর্ব আকাশে সদ্য উদয় হব হব করা সূর্য দেবকে ভক্তি ভরে প্রণাম করল। বছর আঠাশের নিঃসন্তান কমলা। বিয়ের ছ- বছর পরও তার কোল আলো করে সন্তান না আসায় স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি তাকে পর করে দিয়েছে। স্বামী তো সেই সকালে বেড়িয়ে রাত করে ফেরে মদ খেয়ে , তার পর কোনো কোনো দিন বউকে পেটায়। কমলার এই জীবন নরকের সমান হয়ে গেছে। বিষিয়ে গেছে তার মন। কয়েকবার ডাক্তার দেখিয়েছিল কিন্তু কিছু লাভ হয়নি আর অত টাকাই বা কোথাই তাদের কাছে যে বড়ো ভালো জায়গাই চিকিৎসা করাবে।
এই সব সহ্য করতে করতে কমলা এখন ভীষণ শুচীগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের মধ্যে হাজারটা দেব-দেবীকে স্মরণ করে প্রণাম করতে থাকে। এই ভাবেই তার নিজের সব দুঃখ ভুলিয়ে রাখে। সবচেয়ে ভালোবাসার মানুষটা তার থেকে দূরে চলে গেছে শুধু মাত্র একটা সন্তানের জন্য। ভগবান কেন যে এত নিষ্ঠুর এত ডাকার পরও এই একটা সন্তান রূপে আশীর্বাদ দেন না তা বুঝতে পারেনা কমলা। চোখ বুজে প্রণাম করতে করতে এইসব ভাবতে গিয়ে কোন জগৎ-এ হারিয়ে গেছিল ।
" বাজল তোমার আলোর বেণু " ---------
ঘরে বাজা রেডিওটা থেকে ভেসে আসছে মহালয়া । চোখ খুলেই হঠাৎ সামনের দিকে তাকিয়েই চমকে উঠল কমলা । তার বাড়ির সামনের রাস্তার ওপারে যে গাছটা রয়েছে তার তলার একটা কাপড় জড়ানো কী পড়ে আছে যেন। পাশে একটা কুকুর শুঁকে দেখার চেষ্টা করছে। একটু কানটা খাড়া করল কমলা , কোথাও থেকে একটা সদ্য বাচ্চার কান্নার শব্দ আসছে না ? ধক করে উঠল কমলার বুকটা।
হরি অনেকক্ষণ ধরে
চায়ের জন্য কমলাকে ডেকে ডেকেও না পেরে অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে রাগ চোখে বাইরের দরজায় এসে দাঁড়াল । সারা ঘরে কোথাও নাই এই ভোর বেলায় কোথাই যে গেল রাক্ষসীটা সেটাই দেখতে এল। এখন কমলাকে তার অসহ্য লাগে শুচীগ্রস্ত , একঘেয়ে আধ পাগল । অথচ এই কমলাকেই একদিন ভালোবসে ঘরে নিয়ে এসেছিল ।
হাঁ যা ভেবেছিল তাই। দেবীপক্ষের সূচনাতেই কেউ উমার বিসর্জন দিয়ে গেছে। কাঁথায় জড়ানো সদ্য নাড়ি কাটা এক ছোট্ট উমা প্রাণপনে কাঁদছে হয়তো খিদের চোটে , কিংবা জন্মদাত্রীর এই নিষ্ঠুর আচরণে। দেখে চমকে উঠল কমলা। তার মনের মধ্যে সুপ্ত মাতৃভাব জেগে উঠছে। সে শিশু কন্যাটিকে নিয়ে উঠে দাঁড়াল । হায়রে ভগবানের কী লীলা - যে পাওয়ার জন্য মাথা খুঁড়ে মরে সে পায়না, আর যে পায় সে এই ভাবে আবর্জনা ভেবে ফেলে দিয়ে যায় । আর এই মানুষগুলোই আবার মাটির মূর্তিকে নারী রূপে পুজো করে।
কমলা খেয়ালই করেনি তার আশে পাশে অনেক মানুষ ততক্ষণে জমা হয়ে গেছে।
- "কীরে?-কোথায় পেলি একে।" বস্তির একজন তার প্রশ্নবাণ ছুঁড়ে দিল কমলার দিকে। কমলার বাহুবেষ্টন আরও আর হয়ে উঠল এই কথাটা শুনে ।
-" পুলিশে খবর দিতে হবে। "
বস্তির মানুষের প্রশ্ন যেন থামতেই চায় না । "
এই কথা কানে যেতেই কমলার চোয়াল শক্ত হয়ে উঠল । সে বলল -
" পুলিশকে খবর দাও আর হেকিমকেই খবর দাও ওকে আমি পেয়েছি , ও আজ থেকে আমার মেয়ে , আমি মানুষ করব ওকে । আজ দেবীপক্ষের সূচনাতে , এই মহালয়ার দিনে মাদুর্গা নিজে এসেছেন আমার কোল আলো করতে । আমি কাউকে কেড়ে নিতে দেব না , কাউকে না " বলে ভিড় ঠেলে এগিয়ে গেল ঘরের দিকে।
- "মেয়েটা এবার একটা বাঁচার অবলম্বন পেল ।"
- "সত্যিই মা -ই এসেছেন আমাদের বস্তিতে ।"
- "মানুষ কত নিষ্ঠুর হয় বল দিকিনি । ঔটুকু একটা দুধের শিশুকে ফেলে দিতে মায়ের প্রাণটা কাঁদল না ? "
- " স্বীকার করতে পারবি নি তো পেটে ধরার কী দরকার ছিল? "
-" নাকি দেখো মেয়ে হয়েছে বলে ফেলে দিয়ে গেছে " ।
কমলা বস্তিবাসীদের এই কথা গুলো শুনতে শুনতে ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালো ।
কিন্তু দরজায় ঢুকতে গিয়েই থমকে গেল । তার শ্বশুর শাশুড়ি দরজা আটকে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে দেখেই ঝাঁঝিয়ে উঠল -
" কোথাকার কোন বংশের কোন পাপ এটা একে এই ঘরে এনে ঢোকাবিনা । দেখ হরি তোর বউ এর কান্ডখানা একবার দেখে যা । যা যা ওকে দুটো চড় মেরে যেখন কার আবর্জনা সেখান ফেলে এ পাপ বিদেয় করে আসতে বল । "
এই কথাটা বলে হরির দিকে তাকাতে থমকে গেল কমলার শ্বাশুড়ি। হরির হাত দুধ আলতার থালা ।
- " কী করবি এতে? এটা কেন এনেছিস ? এইটা ঠাকুরকে নৈবেদ্য দেওয়ার থালা । "
হরি সেই কথার উত্তর না দিয়ে কমলাকে বলল -
"আজ আমার বাড়িতে স্বয়ং মা এসেছে , দাও দাও ওর ছোটা দুটো পা আলতায় দিয়ে ঘরে প্রবেশ করাও। "
- "হরি কী বলছিস পাগল হলি নাকি? আর এটা কোন জাত কোন পাপ ... "
কথা শেষ হল না হরি বলে উঠল - " মায়েদের কোনো জাত হয়না । আর …
[8:55 am, 29/09/2022] Buni: অনুদান
অঙ্কিতা সেন
রবির মনটা মোচর দিয়ে উঠল ছেলেটাকে পরাজিত সৈন্যের মতো ঘরে ঢুকে ফাইলের ব্যাগটা ভাঙা তক্তোপোশটাই রাখতে দেখে।
- " হলো না ?"
- " না বাবা। এটাও হলোনা। "
- " কী বলল ওরা ? তোর পরীক্ষার পাশের নম্বর তো ভালোই আছে। "
- "আজ শুধু পাশের নম্বর দিয়ে কী হয়? যাই হাত মুখ ধুয়ে দুটো ভাত বসিয়ে দিই। নিশ্চয় সকাল থেকে কিছু খাওনি। "
- " রাজু ! " - কথাটা বলতে গিয়ে রবির গলাটা আটকে - গেল। অনেক কষ্টে গলার কাছে আটকে থাকা দম বন্ধ করা যন্ত্রনাটাকে ঢোক গিলে সরিয়ে বলল -
–" ঘরে যে আর চাল নেয় বাবা। তোকে কাল বলেছিলাম, কাজের যা চাপ ভুলে গেছিস।
ছাড় আজকে কাল দেখা যাবে।"
- " না বাবা ছাড়লে চলবে না ডাক্তার বলেছে মাকে ভরা পেটে ওষুধ দিতে। বেশ দাঁড়াও আমি দেখছি কিছু। "
এই বলে সদ্য হাতে তোলা তেলচিটে ছেঁড়া গামছাটাকে রেখে দরজার পাশে রাখা ভিজে ছাতাটাকে নিয়ে আবার বেরিয়ে গেল রাজু।
রবি যে তার ছেলেকে আটকাবে সে ক্ষমতা টুকুও নেয় । সে পাথরের মতো বসে থাকলো মেঝের উপর। আজ চারদিন ধরে নিম্নচাপের বৃষ্টি চলছে কখনো কখনো ঝোড়ো হাওয়া দিচ্ছে। টিনের ফুটো চাল দিয়ে অনবরত জল পড়ে ঘরের সব জিনিস ভিজিয়ে দিচ্ছে। সেটা সরাবার মতো স্থানের অভাবের জন্য তাদের ভিজতে দেওয়া হচ্ছে।
রাজমিস্ত্রির কাজ করত রবি। তারপর একদিন পা পিছলে পড়ে গিয়ে তার ডান হাত এবং ডান পা টি এমন ভাবে ভেঙে যায় , তা আর জোড়া লাগেনি কোনোদিনও। সেই দিন থেকেই রাজুকে গোটা সংসারের হাল ধরতে হয় পড়াশুনার পাশাপাশি। ছেলে টা পড়াশোনায় ভালোই ছিল। কিন্তু সংসারের চাপে আর খুব ভালো হয়ে উঠতে পারেনি। মোটামুটি সবই ঠিক চলছিল কিন্তু এর এক বছরের মাথায় তার স্ত্রী রমার রোগ ধরা পড়ল। ডাক্তার বলল দুটো কিডনিই নাকি বিকল হয়ে গেছে। তার পরের দৃশ্য গুলো মনে পড়ার কথা ভাবতেই রবি দুই চোখ বুজে ফেলল। একা ছেলে সারা দিন টিউশনি পড়িয়ে সপ্তাহে দু দিন করে মাকে ডায়ালেসিস করাতে নিয়ে যায়। এছাড়াও ওষুধ পত্র, ভালো খাওয়া দাওয়া এসব করতে গিয়ে ছেলেটার নাভিশ্বাস অবস্থা । তবু একদিনের জন্যও রাজুকে বিরক্ত হতে দেখলনা রবি। যেন ভগবান তাকে ধরিত্রীর মতো সহ্যশক্তি দিয়েছেন। আজ সকালবেলার বাসে কলকাতা গিয়েছিল রাজু । সেখানে একটা পনেরো হাজার টাকার সেলস্ ম্যানের চাকরির ইন্টারভিউ দিতে। সেটাও বোধ করি হয়নি । ভরা মন নিয়ে ছেলেটা এই ঝড় বৃষ্টি মাথায় করে কোথায় চাল খুঁজতে গেল কে জানে। এই মাস শেষ হওয়ার ছয় দিন আগেই রাজুর হাত খালি হয়ে গেছে। কাল রাতে যেটুকু চাল ছিল রান্না করে বাবা মাকে খাইয়েছিল। তারপর আজ সকালেই বেড়িয়ে গেছে। ঘরে চালও আনা হয়নি আর সারা দিন খাওয়াও হয়নি। এক এক সময় মনে হয় এসবের জন্য রবি নিজেই দায়ী। তার অক্ষমতার জন্যই বাইশ বছরের রাজুর নিজের সব শখ আহ্লাদ শেষ হয়ে গেছে।
একটা ক্ষীন শব্দ শুনে রবির চিন্তার জালটা ছিঁড়ে গেল। রমা তাকে হয়তো ডাকছে। এই মানুষটাকে এখন রবির অসহ্য লাগে। সারাক্ষন রমার মৃত্যু কামনা করতে থাকে। কোনো রকম হেঁচড়ে ঘষটে ঘরের দিকে গেল রবি। তার মনের ভিতর একটা পাপবোধ কয়দিন ধরে ছিঁড়ে খাচ্ছে। আর কীভাবে রাজুকে এর থেকে মুক্তি দিতে পারবে সেটাই চিন্তায় মাথাতে ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বক্ষণ । কিন্তু কোনো উপায়ই তার সামনে আসছেনা। তার মতো বিকল মানুষ কি দিয়ে ছেলেকে সাহায্য করতে পারে বুঝে উঠছে না। তবে শুধুমাত্র একটা রাস্তাই চোখের সামনে আসছে। তারা দুজন যদি মরে যায় তাহলে হয়তো রাজুর উপর থেকে অনেক খানি বোঝা হালকা যাবে। রবি কী তবে স্বার্থপর হয়ে গেছে?
হঠাৎই কারেন্টটা চলে গেল। চারিদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার । বাইরে কোথাও বাজ পড়ল । সেই মুহূর্তে বিদ্যুতের ঝলকের মতো একটা কথা তার কানে বেজে উঠল । গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে যদি কেউ মারা যায় , তাহলে একটা বড়ো রকমের টাকা অথবা সেই পরিবারের যোগ্য ব্যক্তিকে একটা চাকরি দেওয়া হবে। মৃদু হাসল রবি । এতক্ষনে সে ঠিক করেই ফেলেছে তার করনীয় কী হবে। ঘোষপাড়া যেতেই মোড়ের কাছে বিদ্যুৎ-এর তার ছিঁড়ে জলের উপর পড়ে আছে; আজ বিকেলে বাড়ির বাইরের সকলের আলোচনা থেকে এই টুকু শুনেছে সে। হেঁচড়ে ছেঁচড়ে রমার কাছে এগিয়ে গেল রবি। পরম স্নেহে রমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল, ওষুধ আর অসুখের দাপটে জীর্ণ হয়ে যাওয়া রমা ; আজ তাকে দেখে খুব মায়া হল রবির । সারাজীবনে এই মানুষটিকে সে কখনো সুখ দিতে পারেনি, সর্বক্ষণ অবহেলা দুরচ্ছায় করেছে । অথচ রমা তাকে প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসে। স্পর্শ পেয়ে ক্ষীণ চোখ দুটি মেলে তাকালো রমা। তার গভীর চোখের কোটর দুটি বেয়ে জলের ধারা নেমে এল । দাম্পত্য জীবনে এই প্রথম স্বামীর ভালোবাসার ছোঁয়া পেয়ে আজ তার চোখের জল বাঁধ মানছেনা । রবি পরম স্নেহে রমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে থাকে যতক্ষণ না রমা ঘুমিয়ে পরে । রবি তাকিয়ে দেখল রমা পরম বিশ্বাসে তার হাতটাকে আঁকড়ে ঘুমিয়ে পড়েছে । এরপর রবি রমার পরম বিশ্বাসে ধরা হাতটা ছাড়িয়ে উঠে দাঁড়ালো ।
সাদা মার্কিনের ধুতি গায়ে রাজু এক দৃষ্টে জানালার বাইরে তাকিয়ে আছে। মায়ের হাতের লাগানো কুমড়ো গাছটাই ফুল এসেছে । মায়ের গাছ লাগানোটা ছিল ভালোবাসা । বাবার কাছে পাওয়া সারাদিন মুখ ঝামটা দারিদ্রতা সব ভুলিয়ে দিত মাকে এই গাছ গুলো । মাস খানেক ধরে তার মা আর বিছানা ছেড়ে উঠতে পারতনা । তাই সারাদিন কাজের শেষে যখন রাতে মায়ের পাশে গিয়ে বসত তখন মা তাকে রোজ জিজ্ঞেসা করত কুমড়ো গাছটাই ফুল এল কিনা । বাবা এতে খুব বিরক্ত হলেও তার খুব ভালো লাগতো। আজ বারো দিন হয়ে গেল তার মাথার উপর থেকে বাবা মায়ের হাত উঠে গেছে । সেই দিন ঝড় জলের রাতে তার বাবা কেন যে অতদূর ঘোষপাড়ার দিকে যাচ্ছিল সেটা আজও রাজু বুঝে উঠতে পারেনি । তার বাবা তো হাঁটতেই পারত না সেই কারণে বাড়ি থেকে তেমন একটা বার ও হত না। তবে কী জন্য যেতে গেল... ??
ঘোষপাড়ার মোড়ের দিকে একটা বিদ্যুৎ পোলের তার ছিঁড়ে রাস্তার উপর পড়েছিল আর সেই থেকে পুরো জলে ভেজা রাস্তা কারেন্ট হয়েছিল। তার বাবা কোনো অজ্ঞাত কারণে সেখানে যেতেই - নাহ্ আর ভাবতে পারে না রাজু।
আর বাবার মৃত্যু সংবাদ সহ্য করতে না পেরে তার মায়ের দুর্বল হৃদয় হঠাৎ কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে । কুমড়ো ফুলটা ফোটা আর তার দেখা হলনা ।
দু-দুটো মৃত্যুর ধাক্কা রাজু কীভাবে সামলে উঠবে সে কথা কেউ জানেনা।
- রাজুদা তোমার নামে একটা চিঠি এসেছে। পিওন কাকু দিয়ে গেল।
রাজু চমকে ঘুরে দেখল পাড়ার একটি ছেলে হাতে একটা খাম নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাজু সেই খামটি খুলে দেখল মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কোনো বিপত্তিতে মারা যাওয়া পরিবার যোগ্য প্রার্থী হিসাবে তাকে বিদ্যুৎ দপ্তরে একটা চাকরি দেওয়া হয়েছে। এইটি তারা চিঠি। এইবার রাজুর কাছে সবটা পরিষ্কার হয়ে যায়। সে চিঠির খামটা হাতে নিয়ে মাটিতে বসে পড়ল । সরকারি দফতর থেকে পাঠানো চাকরির নিয়োগ পত্রটা তখন ধীরে ধীরে ঘরের মধ্যে উড়ে বেড়াতে লাগল।
By Ankita Sen

Comments